উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পুনরায় আওয়ামীলীগকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। —ফরিদপুরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ভয়েস অব ফরিদপুর রির্পোট ॥
স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেছেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পরপর দু’বার ক্ষমতায় অধিষ্টিত আছে। আওয়ামী লীগের এই শাসনামলে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা সহ সব ক্ষেতে দেশে সুশাসন বিদ্যমান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃতাধীন বর্তমান সরকার জনগনের সরকার। জনগনের কল্যানই এ সরকারের মূল লক্ষ। জনকল্যান ধর্মী রাষ্ট্র হিসেবে আজ বাংলাদেশ বিশ্বে স্বিকৃতি লাভ করেছে। সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার জন্য আজ বিশ্বে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ ব্যক্তিত্ব হিসেবে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন আজ তা বাস্তবায়িত হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মাত্র নেতা যিনি সুনিদিষ্ট লক্ষা মাত্রা নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন। এই লক্ষ মাত্রায় ২০২১ সালে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করার রুপকল্প রয়েছে। তিনি বলেন ইতিমধ্যে বাংলাদেশে মধ্যম আয়ের দেশে উপনিত হবার দার প্রান্তে পৌছে গেছেন। মন্ত্রী বলেন এই ধারা অভ্যাহত রাখতে এবং বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করার জন্য আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পুনরায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা প্রয়োজন।
এলজিআরডি মন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৩০নভেম্বর) বিকালে জেলা যুবলীগের আয়োজনে জনতা ব্যাংক মোড়ে যুবলীগের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে এক যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন।
যুবলীগ ফরিদপুর জেলা শাখার আহবায়ক এইচএম ফুয়াদের সভাপতিত্বে সমাবেশে মন্ত্রী আরো বলেন, ২০১৮ সালের শেষের দিকে দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সকল নেতা কর্মিদের একযোগে আজ থেকে দলের জন্য কাজ শুরু করার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন যুবলীগ একটি সুসংগঠিত দল। দেশের উন্নয়নে যুবলীগ জনগনের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে আওয়ামীলীগ ফরিদপুর সদর আসনে বিজয়ী হয়েছিল। তারপর দীর্ঘদিন এ আসনে জয়লাভ করতে পারেনি। ২০০৮ সালে যুবলীগ সহ আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ আসনে পুনরায় জয়লাভ করে। ২০০৮ সালে আমি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ফরিদপুর বাসির জন্য উন্নয়নের দ্বার খুলে দেই। এ দুই মেয়াদে ফরিদপুরে যে উন্নয়ন হয়েছে বিগত ৪০ বছরে তা হয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ সব ক্ষেত্রে ফরিদপুরে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। নিকারের গত সভায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুরকে বিভাগীয় সদর দপ্তর হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন। অচিরেই ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাডঃ সুবল চন্দ্র সাহা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডঃ জাহিদ ব্যাপারী, সোহেল রেজা বিপ্লব, যুবমহিলা লীগের আহবায়ক ফরিদা ইয়াসমিন। এসময় ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ ইমতিয়াজ হাসান রুবেল, কোতয়ালী আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, সাধারন সম্পাদক সামচুল আলম চৌধুরী, শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী, সাধারন সম্পাদক চৌধুরী বরকত ইবনে সালামসহ সমাবেশে আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠনের নেতকর্মী জনপ্রতিনিধি সহ বহু সংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply