ফরিদপুরে নবাব আবদুল লতিফের ১২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ॥ ভয়েস অব ফরিদপুর

ভয়েস অব ফরিদপুর রির্পোট ॥

বাঙালি শিক্ষা জাগরণের অগ্রদুত, ফরিদপুরের কৃতি সন্তান নবাব আবদুল লতিফের ১২৫ তম মৃত্যুদিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে আলোচনাসভা ও স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ ১০ জুলাই মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে নবাব আবদুল লতিফ গবেষণা ফাউন্ডেশন আয়োজনে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়
এতে সভাপতিত্ব করেন নবাব আবদুল লতিফ গবেষণা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডাঃএম এ জলিল।
আলোচনায় অংশ নেন ফরিদপুরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক এম এ সামাদ, ফরিদপুর সচেতন নাগকির কমিটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, প্রবীন সাংবাদিক অধ্যাপক মো. শাহজাহান, সাহিত্য পত্রিকা উঠোন সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলন, লেখক মঈনুদ্দিন আহমেদ, কবি আব্দুর রাজ্জাক রাজা, নবাব আবদুল লতিফ গবেষণা ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব মো. মনিরুল ইসলাম টিঁটো প্রমূখ।
আলোচনাসভা শেষে নবাব আব্দুল লতিফের জীবন ও কর্ম নিয়ে লেখা ‘শিক্ষা জগরণের অগ্রদূত নবাব আব্দুল লতিফ’ শীর্ষক প্রকাশিত একটি স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
একই সময়ে বোয়ালমারী উপজেলা অডিটোরিয়ার হলে নবাব আব্দুল লতিফের জীবনাদর্শ ও কর্মের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান এম শমসের আলী, বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন, চতুল ইউনিয়নের ইউপির চেয়ারম্যান শরীফ শহিদুজ্জামান প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, নবাব আবদুল লতিফ ইংরেজী শিক্ষা গ্রহনে পিছিয়ে থাকা বাঙ্গালী ও মুসলিমদের মধ্যে গণজাগরণ সৃষ্টি করেন। যার ফলশ্রুতিতে পিছিয়ে থাকা মানুষেরা অগ্রগামী হন। তারা আরো বলেন, নবাব আব্দুল লতিফ নির্যাতিত মানুষের পাশে থেকে তাদের অলোর পথ দেখিয়েছেন। বক্তারা নবাব আব্দুল লতিফের স্মৃতি রক্ষায় জেলার বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে অবস্থিত তার বাড়িটি সংরক্ষণ করে মিউজিয়াম স্থাপনের দাবী জানান।
প্রসঙ্গত, নবাব আব্দুল লতিফ ১৮২৮ সালে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ৬৫ বছর বয়সে ১৮৯৩ সালের ১০ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Leave a Reply