ফরিদপুরে বাজারে উঠতে শুরু করছে নতুন পেঁয়াজ বাজারে দাম স্বাভাবিক থাকায় খুশি ভুক্তারা ,উৎপাদন খরচ বেশী হওয়ায় হতাশ পেঁয়াজ চাষিরা

স্টাফ রিপোটার্র ঃ  পেঁয়াজ চাষে দেশের মধ্যে ফরিদপুর হচ্ছে অন্যতম একটি জেলা। এই ফরিদপুর জেলার উৎপাদিত পেঁয়াজ জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে সরবারহ করে থাকে । বিশেষ করে জেলার সালথা ও নগরকান্দা উপজেলার মাঠে মাঠে  দুচোখের দৃষ্টিসীমা যতদুর যায়, শুধু   পেঁয়াজের আবাদ দেখা যায়।  জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সুত্রে জানাযায়, এই বছর এই জেলায় ৫৭৮৩ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। ইতোমাধ্যেই বাজারে নতুণ পেঁয়াজ উঠতে শুরু করছে । এই পেঁয়াজ কিনতে বিভিন্ন জায়গা থেকে পেঁয়াজের ব্যাপারীরা আসতে শুরু করছে।তবে পেঁয়াজের বর্তমানে যে বাজার দর চলছে তাতে ভুক্তরা খুশি থাকলোয় হতাশায় পেঁয়াজ চাষিরা।জেলার সালথা উপজেলার জুগিডাঙ্গা গ্রামের পেঁয়াজ চাষি মোঃ আবু মাতুব্বর এই প্রতিবেদককে জানান, এই বছর ৫২ শতাংশের এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করতে হালি বা চারা তৈরিতে বীজ বাবদ ৪৫০০টাকা,সার ৪০০০টাকা,সেচ বাবদ ৩০০০টাকা,কীটনাশক ২০০০টাকা,কৃষি শ্রমিকদের মজুড়ী ৭০০০টাকা,চাষাবদে ৭০০০টাকা ,এনজিও লোনের সুদ বাবদ ৩০০০টাকা সর্ব মোট ৩০৫০০টাকা খরচ হয়েছে। ১ বিঘা জমিতে গড়ে ৫০ মন পেঁয়াজ হলে বর্তমান বাজার দর প্রতি মন ৬০০টাকা  দরে,৫০ মনের  দাম হয় ৩০হাজার টাকা । এতে আমাদের খরচের টাকা উঠলেয় কোন লাভ হচ্ছে না । তিনি বলেন, গত বছরও পেঁয়াজে দাম কম থাকায় আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। কৃষক ফজর আলী বলেন,সরকার যদি সার,ঔষুদ,ডিজেলের দাম  কুমিয়ে দেয় তাহলে,আমাদের উৎপাদন খরচ কম হবে,তাতে পেঁয়াজের দাম কম হলেয় আমরা বেঁচে যাব।জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জিএম আবদুর রউফ জানান,কৃষকরা যদি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষাবাদ করে এবং কৃষকরা এনজিও লোন না নিয়ে  স্বল্প সুদে ব্যাংক থেকে লোন নেয় তাতে  উৎপাদন খরচ কুমে আসবে। তাছাড়া সরকারকে তো ভুক্তার কথা চিন্তা করতে হয়।

Leave a Reply