বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো বিশ্বপ্রমাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় — ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

ভয়েস অব ফরিদপুর রির্পোট ॥
বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো বিশ্বপ্রমাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় দেশের অন্যান্য জায়গার মত ফরিদপুরেও শনিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বৃহত্তর আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ আনন্দ শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষকা, উন্নয়ন কর্মী, আইনজীবী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের হাজার হাজার মানুষ অংশনেয় ।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।বেলা সোয়া ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে এটি শুরু হয়।জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া এ শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রাটি মুজিব সড়ক, জনতা ব্যাংকের মোড়, থানারোড, মহাখালী পাঠশালরার মোড়, অম্বিকা সড়ক হয়ে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে ওই সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা।
বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়েস্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিশ্ব জননেতাদের আরও কয়েকটি ভাষণ ইউনেস্কো বিশ্বের ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে তাঁদের ভাষণ আর বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মৌলিক পার্থক হচ্ছে সে ভাষণগুলি ছিল লিখিত, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল অলিখিত। এ কারনে এ ভাষণের গুরুত্ব অন্যসব ভাষণ থেকে আলাদা।
মন্ত্রী বলেন, এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু কোন আগ্রাসি বা বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোন কথা বলেননি বরং তিনি তাঁর ভাষণে বিশ্ববাসীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন আমরা নিষ্পেশিত। একারনেই মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিশ্ব সম্প্রদায়ের অকুন্ঠু সমর্থন পেয়েছিলাম-বলে মন্তব্য করেন খন্দকার মোশাররফ।

Leave a Reply