লাইট হাউস ফরিদপুরের বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১৭ পালন

ভয়েস অব ফরিদপুর রির্পোট ঃ
শুধুমাত্র জন্মের ১ ঘন্টার মধ্যে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে নবজাতকের মৃত্যুর হার ৩১% কমিয়ে আনা সম্ভব। অপরদিকে গুড়া দুধ ও প্রক্রিয়াজাত শিশুখাদ্য সম্পূর্ণ জীবানুমুক্ত নয় কারণ এতে এন্টারোব্যাকটর সাকাজ্যাকি এবং সালমোনেলা নামক ব্যাকটেরিয়া থাকে যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য মারাতœক ক্ষতিকর। কথাগুলো বলছিলেন বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১৭ উপলক্ষে জেনারেল হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে আজ অনুষ্ঠিত সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র শিশু বিষয়ক কনসালটেন্ট ডা. খোন্দকার মো. আব্দুল্লা হিস সায়াদ। তিনি আরো বলেন আমাদের পূর্ববর্তীরা যা করে গেছেন তা ভালো তবে শিশুদের জন্য আমাদের তার থেকেও ভালো কিছু করতে হবে। সভার শুরুতে লাইট হাউস এ্যাকটিভ সিটিজেন এর জেলা সমন্বয়কারী মো. পলাশ খানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জেলা সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে মূল র‌্যালীতে অংশগ্রহণ করে লাইট হাউস এ্যাকটিভ সিটিজেন এর সদস্যসহ ডিআইসির কর্মীবৃন্দ। র‌্যালীটি শহরের গুরুপ্তপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালী শেষে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শাপলা মহিলা সংস্থার প্রজেক্ট অফিসার প্রশান্ত কুমার সাহা, লাইট হাউস ফরিদপুর ডিআইসির ম্যানেজার মো. পলাশ খান, ডা. গনেশ, ডা. ফাহমিদা জেসমিনসহ প্রমুখ।প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন আমাদের যাপিন জীবনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের তাৎপর্য খুবই গুরুপ্তপূর্ন।মো. পলাশ খান বলেন, লাইট হাউস এইচআইভি এইডস বিষয়ক সচেতনতা এবং প্রতিরোধে কাজ করে। এইচআইভি এইডস এর সঙ্গে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের একটি গভীর যোগসূত্র রয়েছে। কেননা শিশুকে যদি সঠিক নিয়মে পূর্ন মাত্রায় মাতৃদুগ্ধ পান করানো হয় তবে শিশুটি সকল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে বেড়ে ওঠে অপরদিকে এইচআইভি এইডস হচ্ছে মানুষের সহজাত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট হয়ে যাওয়া।ডা. গনেশ বলেন সর্বাঘ্রে আমাদের মানষিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। কেননা শিশুকে কৌটার দুধ খাওয়ানো কোন মর্যাদার বিষয় নয়।ডা. ফাহমিদা জেসমিন বলেন, আমাদের আন্তরিক হতে হবে। শিশুকে প্রকৃত ভালোবাসা দিয়েই মাতৃদুগ্ধ পান করাতে হবে। সবশেষে সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. আফজাল হোসেন বলেন বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ আমাদের শুধুমাত্র আলোচনা এবং সভার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলেই চলবে না বাস্তবেও বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের এবছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘মাতৃদুগ্ধপান টেকসই করতে আসুন ঐক্যবদ্ধ হই’কে আমাদের জীবনে বাস্তবায়িত করতে হবে তবেই ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

Leave a Reply