সকলের অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় মুক্তির শপথ নিন: খালেদা জিয়া

ফোকাস বাংলা নিউজ:মে দিবস উপলক্ষে শ্রমজীবীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন খালেদা জিয়া।টুইট বার্তায় বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন,  দেশে এক নিবর্তনমূলক পরিবেশে এসেছে মহান মে দিবস। শ্রমজীবী ভাই-বোনদের শুভেচ্ছা।সকলের অধিকার নিশ্চিত করতে আসুন আবারও জাতীয় মুক্তির শপথ নেই। দিবসটি উপলক্ষে দলটির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল সোমবার সকাল ১০টায় নয়া পল্টনের কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শ্রমিক র‌্যালি বের করবে।এছাড়া খালেদা জিয়ার সঙ্গে ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আলাদা বাণীতে শ্রমিকদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।এদিকে,আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি না মেলায় রাজধানীতে শোভাযাত্রা করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলান খান নাসিম জানান, মে দিবসের দিন সোমবার সকাল ১০টায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হবে।পরে শোভাযাত্রাটি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের অনুষ্ঠানে গিয়ে মিলিত হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ১ মে শ্রমিক দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছিল। ওই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপস্থিত থাকার কথা ছিল।সমাবেশ করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরতে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকে শ্রমিক দল।বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।সরকার শ্রমিক দলকে সমাবেশের অনুমতি না দিয়ে শ্রমিক দিবসেই উপহার করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।রিজভী বলেন, এপ্রিল মাসের ২ তারিখ শ্রমিক দল সমাবেশ করার জন্য আবেদন করেছিল পুলিশের কাছে। এটা তারা নানা টালবাহানা করে প্রলম্বিত করে গত ২-৩ দিন আগে বলল, ১ তারিখ দিতে পারব না, ২-৩ তারিখের জন্য আবেদন করুন।এরপর শ্রমিক দল আবার ২-৩ তারিখের জন্য আবেদন করলে পুলিশ এখন বলছে ৫ তারিখের কথা। এটা কী ঠাট্টা তামাশার বিষয়? যাদের ঘাম ও রক্তের মধ্য দিয়ে সভ্যতার চাকা ঘুরছে সেই শহীদদের অপমান করল আওয়ামী লীগ সরকার। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই দিনটিতে সরকারপ্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই অনুষ্ঠান করবেন। আমাদেরকে এরকম একটি মহিমান্বিত দিবসে অনুমতি দিল না, আমরা দুঃখিত হয়েছি। এর মাধ্যমে আমাদের প্রতি ও সারা বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের প্রতি অবজ্ঞা করা হলো। সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক দলের সহসভাপতি মতিয়ার রহমান ফরাজী, আবুল কালাম আজাদ, মেহেদি আলী খান, কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার, ফজলুল হক মোল্লা, রফিকুল ইসলাম, মঞ্জুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply