এতিমগো লইয়া বাঁচতে দিন

চরভদ্রাসন প্রতিনিধি : ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা পূর্ব বি.এস. ডাঙ্গী গ্রামের মৃত আঃ মান্নান মোল্যার স্ত্রী সাহেদা বেগম (৪০) দুই এতিম জমজ শিশু সন্তান মেঘনা (৮) ও যমুনা (৮) কে নিয়ে স্বামীর বসতভিটেয় বসবাসের আকুতী জানিয়েছেন। ২০১৪ সালে উক্ত বিধবা অভাবের তাড়নায় বসতভিটের ১২ শতাংশ জমি পার্শ্ববতী আকোটেরচর ইউনিয়নের মোস্তফা কামালের স্ত্রী তাছলিমা খানমের কাছে বিক্রি করেন। স্বামীর বসতভিটের জমি বলে নাবালকের স্বত্তের মধ্যে একটি ঘরে বিধবা পরিবারটি বসবাস করছেন। কিন্ত বসতভিটের ঘর সহ পুরো জমির দাবীদার প্রতিপক্ষ তাছলিমা খানম (৩৫)। সে মঙ্গলবার সকালে বিধবা পরিবারের সব মালামাল বের করে দিয়ে বাড়ী মেরামত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে ওই অসহায় বিধবা আকুতী জানিয়েছে “ আমাকে রাস্তায় বের করে দিয়েন না, এতিমগো লইয়া বাঁচতে দিন”।
জানা যায়, ১৬৪ নং চরভদ্রাসন মৌজা দিয়ারা ১১ নং মৌজার দিয়ারা প্রস্তাবিত ১৫৭১ নং খতিয়ানে ৮৫০৫ নং, ৮৫১৫ নং ্র ৮৫১৬ নং দাগে উপর এতিম পরিবারটির বসবাস। বিধবার পরিবারে উপার্জনক্ষম তেমন কেউ নেই। উক্ত বিধবা জানায়, “ ভিটেবাড়ী ক্রেতা তাছলিমার সাথে মৌখিক শর্তছিল শিশু সন্তানরা সাবালিকা না হওয়া পর্যন্ত ভিটেয় বসবাস ধিকার থাকবে। তাই তিনি ১ লাখ টাকা শতাংশ কমমূল্যে ভিটে জমি বিক্রি করেছিলেন। কিন্ত গত দু’মাস ধরে পরিবারটি উচ্ছেদের জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তাছলিমা খানম। বিধবার দু’টি জমজ মেয়ে মেঘনা ও যমুনা ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী। তাই এতিম সন্তান নিয়ে বসবাসের অধিকার চান তিনি”। ওই বসতভিটে ক্রেতা তাছলিমা খানম বলেন, “ দুই নাবালকের মধ্যে একজনের পক্ষে তার মা ভিটে বাড়ী দলিল করে দিয়েছে এবং আমি বাড়ী মেরামত করার জন্য কোর্ট অর্ডার হাতে নিয়ে ভিটেয় কাজ করছি”।

Leave a Reply