ফরিদপুরে জিংক ধানের বীজ মার্কেটিং বিষয়ে ডিলারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা॥voice of faridpur

মাহবুব পিয়াল, ভয়েস অব ফরিদপুর নিউজ ॥  ফরিদপুরের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আমরা কাজ করি-একেকে’র আয়োজনে হারভেষ্ট প্লাস বাংলাদেশের সহযোগিতায় ফরিদপুর এবং রাজবাড়ী জেলার বীজ ডিলারদের নিয়ে দিনব্যাপী জিংক ধানের বীজ মার্কেটিং বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফরিদপুর শহরের টোপাখোলা কৃষি খামারবাড়ীর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একেকে’র নির্বাহী পরিচালক এম.এ জলিলের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারন অধীদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ পার্থ প্রতিম সাহা,বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএডিসি (বীজ) যুগ্ন-পরিচালক মোঃ আব্দুস সামাদ খান, ফরিদপুর জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হারভেষ্ট প্লাস বাংলাদেশের এআরডিও মো: জাহিদ হোসেন। এছাড়া কর্মশালায় জেলা বীজ প্রত্যায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, বিএডিসি (বীজ) ফরিদপুরের উপ-পরিচালক মোঃ জহুরুল ইসলাম, একেকে’র প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এম.এম কুদ্দুস মোল্যা, একেকে’র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মো: আব্দুল কুদ্দুস মিয়া ও প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মোঃ রুবায়েত ইসলাম কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জানানো হয়, মানবদেহের একটি অত্যাবশ্যকীয় অনুপুষ্টি হল জিংক। বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সের শতকরা ৪৪ ভাগ শিশু এবং ৫৭ ভাগ মহিলারা জিংকের অভাবে ভুগছে। ১৫-১৯ বছরের শতকরা ৪৪ ভাগ মেয়েরা এর অভাবে খাটো হয়ে যাচ্ছে। এর সমাধান খুঁজতে গিয়ে (বায়োফর্টিফিকেশন এর মাধ্যমে) আমাদের প্রধান খাদ্য ভাত এর মধ্যে অধিক পরিমানে জিংক সম্পৃক্ত করে ৪টি নতুন জাতের জিংক ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ফরিদপুর এবং রাজবাড়ী জেলার ৫০ জন ধান বীজ বিক্রেতা অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply