বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য জেটি নির্মাণ, গভীর সমুদ্র বন্দরের চাহিদা আংশিকভাবে পূরণ করা সম্ভব

ডেস্ক রিপোর্ট : মহেশখালীর মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্মাণ হতে যাওয়া জেটি বা মিনি বন্দর দিয়েই দেশের গভীর সমুদ্র বন্দরের চাহিদা আংশিকভাবে পূরণ করা সম্ভব হবে। শুধু কয়লাই নয়, ভবিষ্যতে অন্যান্য পণ্য আমদানির জন্যও, মিনি বন্দরটি ব্যবহার করা যাবে। এরইমধ্যে, সাগরে দুই কিলোমিটার ড্রেজিংয়ের কাজও শেষ হয়েছে। মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে, বিপুল পরিমান কয়লার চাহিদা পূরণে, একটি নিজস্ব জেটি বা মিনি বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত আছে, মূল প্রকল্পে। এখন প্রকল্প এলাকায় ভূমি উন্নয়নের পাশাপাশি, এই মিনি বন্দরের কাজও চলছে সমান গতিতে। ‘ক্যাসিওপিয়া ভি’ নামে, শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে সাগরে খনন কাজ শেষ করা হয়েছে। দুই কিলোমিটারের এই চ্যানেলটির গভীরতা, ১৮ মিটার এবং প্রাথমিকভাবে চওড়া ১০০ মিটার। পরে বাড়ানো হবে, আড়াইশ’ মিটারের বেশি। যাতে, অনায়াশেই জেটিতে ভিড়তে পারে মাদার ভেসেল। প্রকল্প এলাকায় পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা রাখা হচ্ছে, পরবর্তীতে বড় আকারের টার্মিনাল সুবিধা দিতে। আর, আপাতত জেটিটি থাকছে চট্টগ্রাম বন্দরের তত্ত্বাবধানে। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের সীমাবদ্ধতা দূর করে, এই গভীর সমুদ্র বন্দর ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে সরকার। বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শেষ হবার আগেই, ২০২২ সালে এই গভীর বন্দরের সুবিধা পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply