মধুখালীর শ্রীপুর কর্মকার পাড়ায় ৪০ তম বার্ষিক মহানামযজ্ঞ॥VOICE OF FARIDPUR NEWS

ভয়েস অব ফরিদপুর নিউজ ॥
প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও ৪০ তম বার্ষিকীতে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার অন্তর্গত শ্রীপুর গ্রামে শ্রীশ্রী মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান চলছে । ৮ মার্চ ২০১৯ তারিখ অধিবাসে আয়েশা-সামী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক তাপস ভট্টাচার্য্যরে ভাগবত পাঠের আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে শুরু হয়ে ৯, ১০ ও ১১ মার্চ মহানাম এবং ১২ মার্চ মঙ্গলবার অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত হবে। মহানামের তৃত্বীয় দিন সোমবার ব্যপক ভক্ত সমাবেশ দেখা যায়। যুব সমাজের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কর্মযজ্ঞের সভাপতি নিলকমল কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক অসীম কর্মকার, কোষাধ্যক্ষ প্রদ্যুৎ কর্মকারসহ সবাইকে ভক্ত অভ্যর্থনা ও আয়োজনের ত্রুটি দূর করতে ব্যস্ত দেখা যায়। প্রসাদ বিতরণস্থল আনন্দবাজারের ব্যবস্থাপনায় আনন্দ কর্মকার, দেবাশীষ কর্মকার, সমর কর্মকার, রিপন কর্মকারসহ সকলকে পরম যতনে ধনী-দরীদ্র, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে প্রসাদ বিতরণ ও সেবা করতে দেখা যায়। আয়োজকদের প্রধান উপদেষ্ঠা গোপাল কর্মকার মহানামের তৃত্বীয় দিন প্রসাদ বিতরণে সৌজন্যমূলক অর্থ সরবোরাহে উত্তমের উদ্যোগকে প্রসংশনীয় এবং অনুকরণীয় বলেন। ১২ মার্চ ভারতীয় ও উপমহাদেশের বিশিষ্ট কীর্তনীয়া রাই রঞ্জনা মজুমদারের পরিবেশনে অষ্টকালীন লীলা কীর্তন শ্রবণে অন্ততপক্ষে ৫,০০০ লোক সমাগমে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আশা করেন আয়োজকরা। স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায় ৪০ বছর পূর্ব হতে তাদের পূর্ব পূরূষেরা এ অনুষ্ঠানের শুরু করলে তা বর্তমান প্রজন্মও সমধীক গুরুত্ব দিয়ে সম্পাদন করছে এবং এ উপলক্ষ্যে এ গ্রামের সকল আত্মীয়রা আসেন। বর্তমান থেকে ৫০ বছর আগের সময়ে বিভিন্ন এলাকায় বিবাহিত এ গ্রামের মেয়েরা তাদের শ্বশুর বাড়ির পরিবার পরিজন নিয়ে বাবার বাড়িতে আসেন এ উপলক্ষ্যে এবং সদস্য ৭৫ টি পরিবারে প্রায় ৫০০ আত্মীয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা হয়। ১৩ মার্চ মহাপ্রভুর ভোগ এবং ১৪ মার্চ ২০১৯ তারিখ বৃহস্পতিবার কুঞ্জভঙ্গ এবং জলকেলীর মাধ্যমে শেষ এবছরের এ বিরাট কর্মযজ্ঞ।

Leave a Reply