ফরিদপুরে সুমন মিয়ার তিনদিনব্যাপী একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু॥voice of faridpur news

ভয়েস অব ফরিদপুর নিউজ ॥
ফরিদপুরে ‘প্রকৃতি পরমা..কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়’-প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে চিত্রশিল্পী সুমন মিয়ার তিনদিনব্যাপী একক চিত্র প্রদর্শনী। শহরের অম্বিকা মেমোরিয়াল হলে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ প্রদর্শনীর উদ্ধোধন করেন প্রবীণ শিক্ষক ও সাংবাদিক জগদীশ চন্দ্র ঘোষ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর আর্ট ইনস্টিটিউটের প্রধান সাজেদুল ইসলাম তাতা।
বক্তব্য দেন প্রবীন সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব আলতাফ হোসেন, বিশিষ্ট নাট্য গবেষক বিপ্লব বালা, শিশু সংগঠন ফুলকির সভাপতি অঞ্জলি বালা, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল আজম, আবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা নান্নু মিয়া, ব্লাস্ট ফরিদপুরের সমন্বয়কারী শিপ্রা গোশ্বামী, সৈকত রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সংস্কৃতির অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে চিত্রকলা। চিত্রকলা সমাজ জীবনের চিত্র তুলে ধরে। মানুষের মন সব সময় সৃজনশিলতার জন্য কাজ করতে চায়। সেই আদিম যুগে আলতামিরার গুহা মানবের বাইস আাঁকা ছবিটি আজও মানুষের সৃষ্টিশীলতা ও তার মনের সুকুমারবৃত্তির কথা তুলে ধরে।
বক্তারা বলেন, শিল্পী এবং শিল্পীর কর্মকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। শিল্পীকে শিল্পচর্চার পরিবেশ দিতে হবে। তার ছবি বিক্রির ব্যাবস্থা করতে হবে। শিল্পীকে বাঁচিয়ে রাখতে তার শিল্পকর্মকে সঠিক মর্যাদা দিতে হবে। আমাদের মধ্যে লোক দেখানো ভাব আছে। সে ভাব পরিহার করে শিল্পীর প্রকৃত মর্যাদা দিতে হবে শিল্ফী ও শিল্পের জন্য আমাদের নিবেদিত থাকতে হবে।
সুমন মিয়া (৩৯) শহরের ঝিলটুলী মহল্লার বাসিন্দা। ঢাকার বুলবুল ললিত কলা একাডেমির মাধ্যমে তাঁর চিত্রকলার সাথে হাতে খড়ি। এছাড়া ফরিদপুর আর্ট ইনস্টিটিউটেও তিনি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
ছাগলগিরি ছাগলগিরি বারেক ফিরে চাও, রঙের বাদাম তুলে ভেসে যায় নাওখানি, এ কী লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, দুপুর বেলা ঝিমাই বুঝি রোদ্দুর, চিরদিনের অপার এই পথখানি, ভাটির গাঙে পাল তুলে কে যাও রে, আজি ঝর ঝর মুখর বাদলদিনে, এ আমাদের চিরকালের বাংলা রে, সন্ধ্যা বেলা, ছেলেবেলা, জোড়া তালগাছ, আমার গ্রাম, আলো ছায়ার খেলা, ধান শুকানো, মন্দিরের পথসহ বিভিন্ন নামে গ্রাম বাংলার নিসর্গ ভিত্তিক ৩৫টি ছবি নিয়ে এ প্রদর্শনীর আযোজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি ছবি জল রঙ ও ১৫টি একরেলিক মাধ্যম।
সুমন মিয়া জানান, ফরিদপুরের মত একটি মফস্বল শহরে এ জাতীয় চিত্র প্রদর্শনীর আযোজন করা একটি দুরুহ ব্যাপার। বড় সমস্যা হচ্ছে হলরুম বা গ্যালালি। ফরিদপুরে ছবি প্রদর্শনীর জন্য কোন গ্যালারি নেই। যে হলরুমগুলি আছে সেগুলি অত্যন্ত ব্যায় বহুল।
ছবি প্রদর্শনীর জন্য একটি গ্যাললি নির্মাণের উপর তাগিদ দিয়ে সুমন মিয়া বলেন, কোন ক্রেতা যদি ছবি কিনতে চান তার ব্যবস্থাও থাকবে এ প্রদর্শনীতে। ফরিদপুরে সুমন মিয়ার তিনদিনব্যাপী একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু
ভয়েস অব ফরিদপুর নিউজ ॥
ফরিদপুরে ‘প্রকৃতি পরমা..কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়’-প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে চিত্রশিল্পী সুমন মিয়ার তিনদিনব্যাপী একক চিত্র প্রদর্শনী। শহরের অম্বিকা মেমোরিয়াল হলে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ প্রদর্শনীর উদ্ধোধন করেন প্রবীণ শিক্ষক ও সাংবাদিক জগদীশ চন্দ্র ঘোষ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর আর্ট ইনস্টিটিউটের প্রধান সাজেদুল ইসলাম তাতা।
বক্তব্য দেন প্রবীন সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব আলতাফ হোসেন, বিশিষ্ট নাট্য গবেষক বিপ্লব বালা, শিশু সংগঠন ফুলকির সভাপতি অঞ্জলি বালা, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল আজম, আবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা নান্নু মিয়া, ব্লাস্ট ফরিদপুরের সমন্বয়কারী শিপ্রা গোশ্বামী, সৈকত রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সংস্কৃতির অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে চিত্রকলা। চিত্রকলা সমাজ জীবনের চিত্র তুলে ধরে। মানুষের মন সব সময় সৃজনশিলতার জন্য কাজ করতে চায়। সেই আদিম যুগে আলতামিরার গুহা মানবের বাইস আাঁকা ছবিটি আজও মানুষের সৃষ্টিশীলতা ও তার মনের সুকুমারবৃত্তির কথা তুলে ধরে।
বক্তারা বলেন, শিল্পী এবং শিল্পীর কর্মকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। শিল্পীকে শিল্পচর্চার পরিবেশ দিতে হবে। তার ছবি বিক্রির ব্যাবস্থা করতে হবে। শিল্পীকে বাঁচিয়ে রাখতে তার শিল্পকর্মকে সঠিক মর্যাদা দিতে হবে। আমাদের মধ্যে লোক দেখানো ভাব আছে। সে ভাব পরিহার করে শিল্পীর প্রকৃত মর্যাদা দিতে হবে শিল্ফী ও শিল্পের জন্য আমাদের নিবেদিত থাকতে হবে।
সুমন মিয়া (৩৯) শহরের ঝিলটুলী মহল্লার বাসিন্দা। ঢাকার বুলবুল ললিত কলা একাডেমির মাধ্যমে তাঁর চিত্রকলার সাথে হাতে খড়ি। এছাড়া ফরিদপুর আর্ট ইনস্টিটিউটেও তিনি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
ছাগলগিরি ছাগলগিরি বারেক ফিরে চাও, রঙের বাদাম তুলে ভেসে যায় নাওখানি, এ কী লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, দুপুর বেলা ঝিমাই বুঝি রোদ্দুর, চিরদিনের অপার এই পথখানি, ভাটির গাঙে পাল তুলে কে যাও রে, আজি ঝর ঝর মুখর বাদলদিনে, এ আমাদের চিরকালের বাংলা রে, সন্ধ্যা বেলা, ছেলেবেলা, জোড়া তালগাছ, আমার গ্রাম, আলো ছায়ার খেলা, ধান শুকানো, মন্দিরের পথসহ বিভিন্ন নামে গ্রাম বাংলার নিসর্গ ভিত্তিক ৩৫টি ছবি নিয়ে এ প্রদর্শনীর আযোজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি ছবি জল রঙ ও ১৫টি একরেলিক মাধ্যম।
সুমন মিয়া জানান, ফরিদপুরের মত একটি মফস্বল শহরে এ জাতীয় চিত্র প্রদর্শনীর আযোজন করা একটি দুরুহ ব্যাপার। বড় সমস্যা হচ্ছে হলরুম বা গ্যালালি। ফরিদপুরে ছবি প্রদর্শনীর জন্য কোন গ্যালারি নেই। যে হলরুমগুলি আছে সেগুলি অত্যন্ত ব্যায় বহুল।
ছবি প্রদর্শনীর জন্য একটি গ্যাললি নির্মাণের উপর তাগিদ দিয়ে সুমন মিয়া বলেন, কোন ক্রেতা যদি ছবি কিনতে চান তার ব্যবস্থাও থাকবে এ প্রদর্শনীতে।

Leave a Reply