একেকে’র আয়োজনে “জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান বীজ বাজারজাত করনে ডিলারদের ভূমিকা” শীর্ষক কর্মশালা

জাকিব আহমেদ জ্যাক,ভয়েস অব ফরিদপুর নিউজ॥ ফরিদপুরের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আমরা কাজ করি-একেকে’র আয়োজনে ও হারভেস্ট প্লাস বাংলাদেশের সহযোগিতায় ধানবীজ ডিলারদের নিয়ে দিনব্যাপী এক কর্মশালা বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ফরিদপুরের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত জিংক সমৃদ্ধ ধান জাতের বীজ বাজারজাত করনে ডিলারদের ভুমিকা শীর্ষক এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জিংক সমৃদ্ধ ধানের উপকারিতা বিষয়ক মুল বক্তব্য উপস্থাপন করেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ফরিদপুরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ হযরত আলী।
একেকে’র নিবার্হী পরিচালক এমএ জলিলের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন বিএডিসি মার্কেটিং এর উপ-পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলী, হারভেস্ট প্লাস বাংলাদেশের এআরডিও জাহিদ হোসাইন ও একেকে’র প্রগ্রাম কো-অর্ডিনেটার এমএ কুদ্দুস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ফরিদপুরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ হযরত আলী বলেন, ইতিমধ্যেই কোভিট ১৯ মোকাবেলায় শরীরের ইউমিনিটি বাড়াতে জিংকের ব্যাপক ভুমিকা এখন আলোচিত। সে কারনে জিংক সমৃদ্ধ ধানের চাহিদাও বাড়ছে। তিনি বীজ বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪ ও ৮৪ আগামী ১২ মৌসুমে বিএডিসি এবং কোম্পানি হতে বীজ সংগ্রহ করে কৃষকদের মাঝে বিক্রয় করবেন। যাতে কৃষকরা সহজেই জিংক সমৃদ্ধ ধানের বীজ পেয়ে জিংক ধান চাষ করতে পারে। তিনি আরো বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ধান খুব উপকারী ধান, যা দেহের অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনীয় উপাদান এই জিংক ধানের চাল যা খেলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং মানবদেহে পুষ্টির ঘাটতি মেটায়। শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি করে ও ক্ষুধা মন্দা দূর করে। এছাড়াও নানা উপকারিতা সমৃদ্ধ এই জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান সারা পৃথিবীতে ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে।

Leave a Reply